কালীপুজোয় বাজি নিষিদ্ধ, সমস্ত মণ্ডপে জারি থাকবে ‘নো এন্ট্রি’ : হাইকোর্ট

নিজস্ব সংবাদদাতা,প্রতিফলক: কোভিড সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যের সর্বত্র সমস্ত রকমের বাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোর সমস্ত মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’ ঘোষণা করেছে। এমনকি কালীপুজোর দিন দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট মন্দিরেও বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট।
আদালতের তরফে জানানো হয়েছে,কালীপুজো, দীপাবলি এবং ছট পুজোতেও সম্পূর্ণভাবে বাজি নিষিদ্ধ। ফলে বাজি বিক্রিও করা যাবে না।

এবিষয়ে তদারকির জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে এদিন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাজি নিয়ে রাজ্যবাসীর প্রতি সরকার যে আবেদন করেছে, তা সকলের মানা উচিত। বিচারপতির মতে, করোনা মানুষের শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করে। বাজির দূষণে সেই ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।’

একইসঙ্গে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, কালীপুজোর সময়ে স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বাধ্যতামূলক। বলবৎ থাকবে দূরত্ববিধি। কালীপুজো মণ্ডপেও দুর্গাপুজোর মত জারি থাকবে ‘নো এন্ট্রি’। ৩০০ বর্গমিটারের কম এলাকার মণ্ডপের ক্ষেত্রে ৫ মিটার দূরে নো এন্ট্রি বোর্ড লাগাতে হবে। একসঙ্গে ১০ জন মণ্ডপে থাকতে পারবেন। আর ৩০০ বর্গমিটারের বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে পুলিশ।

এছাড়া কালীপুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রা হবে না। বাজনা এবং আলোকসজ্জা করা যাবে না। ন্যূনতম আয়োজন করতে হবে বিসর্জনের জন্য। বিসর্জন ঘাটে বেশি লোক নয়। অন্যদিকে, কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর, তারাপীঠ, আসানসোলের কল্যাণেশ্বরীর মত বহু জনসমাগম হয় যে মন্দিরগুলিতে, সেখানে ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়েও এদিন কড়া নির্দেশ দেয় আদালত। কোভিড বিধি মেনে ওই মন্দিরগুলিতে কীভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে, একসঙ্গে কতজন মন্দিরে প্রবেশ করবে, তার সবটা পুলিশ ঠিক করবে বলে জানান বিচারপতি।

WhatsApp chat
error: