ছাত্র বৃত্তির জন্য আবেদন পত্র দেওয়া শুরু করলো রাজ্য ওয়াকফ বোর্ড;কিভাবে আবেদন করবেন জেনে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজ্য ওয়াকফ বোর্ড মুসলিম সম্প্রদায়ের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে প্রতিবছর। ২০২০ সালের জন্য গত বৃহস্পতিবার ছাত্র বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি জারি করল ওয়াকফ বোর্ড। রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবদুল গনি জানান ২০২০ সালের দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।

মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক, ফাজিল অথবা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। এছাড়া ইমাম মুয়াজ্জিনের সন্তানেরা বৃত্তির জন্য বিশেষ সুবিধা পাবে। আবেদনকারীর অভিভাবকদের বার্ষিক আয় এক লক্ষ টাকা বা তার কম হতে হবে।

চেয়ারম্যান আরো বলেন, সাধারণ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র ছাত্রীদের ৭৫% নাম্বার পেতে হবে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ৭০% নাম্বার পেলে তবেই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। গত বছরের মতো এ বছরও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের পুত্র-কন্যারা আবেদনের নূন্যতম নম্বর এ ছাড় পাবে।তারা এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষা ৬০% নম্বর পেলে আবেদন করতে পারবে । উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ও. ৬০% নম্বর পেলে তবেই আবেদনের যোগ্য। এক্ষেত্রে ইমাম মুয়াজ্জিনের প্রামাণ্য নথি আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

ছাত্র বৃত্তির আবেদনপত্র অফিস চলাকালীন সময়ে অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের ওয়েবসাইট www.auqafboardwb.org থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করা যাবে। প্রত্যেক আবেদনকারী রাজ্য ওয়াকাফ বোর্ডের দপ্তরে এসে আবেদনপত্র জমা করতে পারবে। অথবা [email protected] এই ই মেইলে পাঠাতে পারবে। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীকে ৩০ শে নভেম্বর এর মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা তিন হাজার টাকা এবং উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা চার হাজার টাকা করে এককালীন পাবে। প্রত্যেকের ব্যাংক একাউন্টে এই টাকা সরাসরি দেওয়া হবে।

বোর্ড চেয়ারম্যান আরো বলেন গত বছর ১৭৩২ জন ছাত্রছাত্রীকে ৬১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়েছিল ।এ বছর আবেদনপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। তবে গত বছরের তুলনায় যদি আবেদনপত্র বেশি জমা পড়ে, তার ভিত্তিতে বৃত্তির পরিমাণ বাড়ানো হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের নিজস্ব তহবিল থেকে এই ছাত্র বৃত্তির অর্থ সরবরাহ করা হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করতেই মূলত এই বৃত্তি প্রদান করা হয় বলে জানা গেছে।

WhatsApp chat
error: