কুড়ি আসনে প্রার্থী দিয়ে পাঁচ আসনে জয় ওয়েইসির মীমের ;বাংলায় এর প্রভাব ও প্রাসঙ্গিকতা

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার ধরে রাখলেও কড়া টক্কর দিয়েছে মহাজোট। ম্যাজিক ফিগার ১২২ এর কাছাকাছিই থেমে যেতে হয়েছে এনডিএ কে ।তেজস্বী নেতৃত্বে মহাজোট পেয়েছে ১১০ টির মতো আসন। এবারের নির্বাচনে ভালো ফল করেছে বামেরা।চমকপ্রদক ফল করেছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম ইত্তেহাদুল মুসলিমিন ও। মাত্র কুড়িটি আসনে প্রার্থী দিয়ে পাঁচটি বিধানসভায় জয় তুলে নিয়েছে ওআইসির মিম।

কিষেণগঞ্জের কোচাধমন; পূর্ণিয়ার অমৌর, বৈসি; কাটিহারের বাহাদুরগঞ্জ সহ মোট পাঁচ আসনে জয় পেয়ে বিহার রাজনীতিতেও যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলো আইমিম। যা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলেও। কারণ গত বছর আসাদুদ্দিন ওয়াইসি ঘোষণা করেছিলেন একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় লড়বে তার দল।

বিহারে পাঁচটি আসনে জয়লাভ করলেও বাকি ১৫ টি আসনে এনডিএ প্রার্থীদের সুবিধা করে দিয়েছে মিমের ভোট কাটাকাটি। ওআইসির দলের প্রার্থী দেওয়ার কারণেই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেও যথেষ্ট ভালো ফল করেছে এনডিএ। বিজেপি জোট যেখানে ম্যাজিক ফিগারের খুব কাছাকাছি মাত্র তিন সিটে এগিয়ে আছে, সেখানে নিমের ধর্ম নিরপেক্ষ ভোট কাটার ফলে অন্তত আটটি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি বা তার মিত্ররা। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।

অপরদিকে মিম সমর্থকদের অবশ্য দাবি, মহাজোটে মীমকে অন্তর্ভুক্ত করলে তীরে এসে তরী ডোবার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির।

ফলাফল যাই হোক পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া জেলাগুলিতে নিমের ভালো ফল নিঃসন্দেহে তৃণমূল নেতৃত্বকে শঙ্কিত করে তুলবে। কারণ বিহারের মতো বাংলাতেও ধর্মনিরপেক্ষ ভোটের বিভাজন হলে তার ফসল ঘরে তুলবে বিজেপি। বাংলা বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হয়ে আসাদউদ্দিন এর গড়কেই প্রত্যাশার ইংগিত হিসেবে মনে করছেন মুসলিম ও দলিতদের একাংশ।

WhatsApp chat
error: