বাতি-বাজি-ঘন্টা মিলেমিশে একাকার, সাফল্য কতটুকু

কখনো ঘন্টা বাজানোর বা কখনো বাতি জ্বালানোর আবেদন, নেপথ্যে কারন যাই থাক বার বার প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন দেশবাসী ।এ যেনো আর একটা দিপাবলী ।পূর্ব নির্ধারিত সময়ে, গতকাল ঠিক রাত্রি 9টাই দেশের একটা বড়ো অংশে হঠাৎ ই নিভে গেল বৈদ্যুতিক আলো, ঘরে ঘরে জ্বলে উঠলো প্রদ্বীপের ক্ষীণ দীপ শিখা। না শুধু 9 মিনিট এর জন্য নয়, জ্বলে থাকলো দীর্ঘ সময় ধরে। কোথাও কোথাও ফাটলো বারুদ বাজি, কোথায় ও বা বাজলো ঘন্টা।

শুধুমাত্র সাধারণ দেশবাসীই নয় তথাকথিত এই কাল্পনিক উৎসবে সামিল হয়েছেন অনেক সেলিব্রিটি ও।দেশবাসীর ঐক্যবদ্ধ মহাজাগতিক শক্তি কে জাগ্রত করার গল্প ফাঁদা হলেও নেপথ্যের প্রশ্ন টা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিজেপির চল্লিশ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে দেশবাসী কে পরোক্ষে সামিল করতেই প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই।

প্রধানমন্ত্রীর এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাক বা নাথাক, জনমানসে এই উদ্যোগ যদি একটুও সচেতনতা গড়ে তোলে সেটাকে সদর্থক বলাই যায়।কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, দেশ জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যখন দিন দিন বেড়েই চলেছে, মৃত্যু মিছিল হচ্ছে দীর্ঘতর। ঠিক তখনই আশঙ্কার আকাশে উৎসবের মেজাজে বাজি ফাটিয়ে রাস্তায় উল্লাসে নেমে সত্যিই কি ঐক্যবদ্ধ মহাজাগতিক শক্তি কে জাগ্রত করার কর্মসূচি সাফল্য পেলো? নিশ্চয়ই প্রশ্ন টা অমূলক নয়। এ যেনো আর একটা ঘন্টা বাজানোর পুনরাবৃত্তি।

WhatsApp chat
error: