আরব দেশগুলিতেও জনপ্রিয়তায় শীর্ষে এরদোগান ;বলছে সমীক্ষা

প্রতিফলক নিউজ ডেস্ক:তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। ক্রমশ আরব তথা মুসলিম বিশ্বের অবিসংবিদিত জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে আসছেন । আরব দেশগুলির জনমানষেও জায়গা করে নিয়েছেন তিনি । মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক তুর্কি নীতিকেই অধিকাংশ আরবীয় সমর্থন করছেন বলে উঠে এসেছে সমীক্ষায়।

মধ্যপ্রাচ্যে সাধারণ মানুষের কাছে এরদোগানের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া হলেও, রাজতন্ত্র ভিত্তিক অধিকাংশ আরব দেশগুলির শাসকের কাছেই তুরস্ক একটি সমস্যার নাম । তুর্কি প্রেসিডেন্টের আপোষহীন ইসলামিক মূল্যবোধ ও আদর্শের প্রতি সহমর্মিতা এবং কৌশলগত মধ্যপ্রাচ্য নীতির সুবিধাজনক অবস্থান শঙ্কিত করে তুলেছে আলালের ঘরের দুলাল দের ।তাদের মনে একটাই ভয়, গণতন্ত্রকামী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার অধিকারী এরদোগান যদি তার নৈতিকতা বলে বলিয়ান হয়ে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে থাকে, তাহলে বিপদ।

কিন্তু আরব শাসকদের বিপরীত পথেই হাঁটছে দেশ গুলির সাধারণ জনগণ। দোহা ও বেইরুট ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘আরব সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পলিসি স্টাডিজ’ মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ টি দেশের উপর সমীক্ষা চালিয়েছে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫৮% মানুষই মনে করেন, তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক নীতি আরব দেশগুলির পক্ষে সদর্থক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট। ফিলিস্তিন সহ সিরিয়া এবং লিবিয়াতে ইস্যুতেও তুরস্কের অবস্থানকে সমর্থন করেন অধিকাংশ আরব নাগরিক।

তুরস্কের পর চীন এবং জার্মানির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক নীতিকে সমর্থন করেন ৫৫% আরব নাগরিক। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক নীতির প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট নয় দেশ গুলির অধিকাংশ জনতা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২১ সালে শেষ হচ্ছে লুসান চুক্তির মেয়াদ । কিন্তু তার আগেই তুরস্কের সরকারের প্রত্যক্ষ আর্থিক সহায়তায় নির্মিত ইতিহাস নির্ভর সিরিজ ‘ দিরিলিস আরতুগ্রুল’ বিশ্ব ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বলে মনে করছেন অনেকেই ।তা ছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনে তুর্কি সংশ্লিষ্টতা এরদোগানের জনপ্রিয়তা এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে বিশ্বজুড়ে।

WhatsApp chat
error: