ড. নয়ন মালেক-এর গল্পগ্রন্থ নিঃশ্বাসের অন্ধকারে রিউ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন গল্পকার এম নাজিম

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলার নবাবের দেশ, নবাবের হাজার দুয়ারীর দক্ষিণ গেট ভাগীরথীর তীর সংলগ্ন (নিজাম প্যালেসের সামনে) এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ১১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো ড. নয়ন মালেক-এর গল্পগ্রন্থ ‘নিঃশ্বাসের অন্ধকারে রিউ’, ফারুক আহমেদ-এর ‘উদার আকাশ প্রকাশন’-থেকে বইটা প্রকাশিত হয়েছে। ‘আবার এসেছি ফিরে’ পত্রিকার সম্পাদক এবাদুল হক-এর ‘এবং পুনশ্চ’ পত্রিকার শরৎকালিন সংখ্যা প্রকাশনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলার এক গুচ্ছ কবি সাহিত্যিক।
অনুষ্ঠানে সভাপতির ভূমিকা পালন করেন কবি ও গল্পকার এম নাজিম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ অ্যাসোসিয়েশন-এর সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও অনুবাদক পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত লেখক মবিনুল হক, মুর্শিদাবাদ গ্রামীণ সংবাদপত্র-এর সম্পাদক অপূর্ব সেন, কবি ও গল্পকার আব্দুর রহমান, কথাসাহিত্যিক শামসুল আলম এবং আরও অনেক গুণীজন। অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন ‘উল্কাবৃষ্টি’র সম্পাদক এম এ ওহাব।

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি মাদ্রাজ (IIT Madras) থেকে রসায়নে মাস্টার্স এবং পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন ড. নয়ন মালেক। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ, সমুদ্রের জল থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদন, কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে জ্বালানীতে রূপান্তর, ইত্যাদির উপর গবেষণারত একজন গবেষক হলেও সাহিত্যের প্রতি তার বিশেষ আকর্ষণ ছোটবেলা থেকেই। তিনি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই সাহিত্য রচনা করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দ এই তরুণ লেখককে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ জানিয়েছেন। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত অনুবাদক মবিনুল হক বিশেষ ভাবে বলেন, “তরুণ এই লেখক ড. নয়ন মালেক শুধু রসায়নে নয়, সাহিত্যের রসেও সমান ভাবে পারদর্শী, তার লেখনীতে এক মসৃণ ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি’। এবাদুল হক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি এম নাজিম মূল্যবান বক্তব্য রাখেন এবং তাঁদের হার্দিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কবি ও গল্পকার আব্দুর রহমান বলেছেন, “বিজ্ঞানের পাশাপাশি সাহিত্যেও পারদর্শী এমন খুব কম জন আছেন, এই তরুণকে অনেক শুভেচ্ছা জানাই’।
ড. নয়ন মালেক বলেন, “আমি ‘রিউ একটা অন্ধবিশ্বাস’ নামে কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হবে, সেই প্রসঙ্গে এই গল্পগ্রন্থের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলতে চাই যে আমার ‘রিউ’ অন্ধবিশ্বাস কিন্তু মিথ্যে নয়। আমার রিউ পড়তে ভালোবাসে, আমার রিউ করোনার মহাসঙ্কটে লকডাউনের ঘেরাটোপে নিজেকে আঁটকে না রেখে নার্সের কঠিন দায়িত্ব পালন করে। আমার রিউ অন্ধকারের দিনে আমাকে জোনাকির মতো করে আলো দেয়, পথ দেখায়, আবার আমি রেগে গেলে জোর করে চুমুও খায়! আমার রিউ নিস্তব্ধ দিনে আমাকে বুকে জড়িয়ে রাখে, আগলে রাখে আমার আশা, কাঁধে হাত রেখে বলে, ‘পাশি আছি, এবার ব্যর্থ হয়েছ তো কি হয়েছে, আবার চেষ্টা কর, দেখো তুমি পারবে’। আমার রিউ ফুল, আমার রিউ আশা, আমার রিউ বিবেকও। অন্ধকারের গহীন সমুদ্রে খাবি খেতে খেতে খাটো হয়ে আসা নিঃশ্বাসের যন্ত্রণাতে অক্সিজেন হয়ে আমাকে বাঁচিয়ে তোলে যে আশা তার নামই ‘রিউ’। আমার গল্পগ্রন্থ ‘নিঃশ্বাসের অন্ধকারে রিউ’-এ আমার রিউয়ের সমস্ত অবতারকে একসাথে কালো হরফের শব্দ-মিছিল দিয়ে ছবি এঁকেছি।”
উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, “নয়ন মালেকর সৎ সাহিত্যসেবা একদিন সাহিত্য আকাশ জুড়ে এক মূল্যবান তারা হয়ে জ্বলজ্বল করবে। অনেক পড়তে হবে তারপর লিখতে হবে। পড়ার বিকল্প নেই। বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ অব্যাহত রাখতে নয়ন মালেকের আরও এগিয়ে আসতে হবে।”

ড. নয়ন মালেক-এর গল্পগ্রন্থ নিঃশ্বাসের অন্ধকারে রিউ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন গল্পকার এম নাজিম

সংবাদদাতা: বাংলার নবাবের দেশ, নবাবের হাজার দুয়ারীর দক্ষিণ গেট ভাগীরথীর তীর সংলগ্ন (নিজাম প্যালেসের সামনে) এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ১১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো ড. নয়ন মালেক-এর গল্পগ্রন্থ ‘নিঃশ্বাসের অন্ধকারে রিউ’, ফারুক আহমেদ-এর ‘উদার আকাশ প্রকাশন’-থেকে বইটা প্রকাশিত হয়েছে। ‘আবার এসেছি ফিরে’ পত্রিকার সম্পাদক এবাদুল হক-এর ‘এবং পুনশ্চ’ পত্রিকার শরৎকালিন সংখ্যা প্রকাশনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলার এক গুচ্ছ কবি সাহিত্যিক।
অনুষ্ঠানে সভাপতির ভূমিকা পালন করেন কবি ও গল্পকার এম নাজিম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ হেরিটেজ অ্যাসোসিয়েশন-এর সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও অনুবাদক পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত লেখক মবিনুল হক, মুর্শিদাবাদ গ্রামীণ সংবাদপত্র-এর সম্পাদক অপূর্ব সেন, কবি ও গল্পকার আব্দুর রহমান, কথাসাহিত্যিক শামসুল আলম এবং আরও অনেক গুণীজন। অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন ‘উল্কাবৃষ্টি’র সম্পাদক এম এ ওহাব।

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি মাদ্রাজ (IIT Madras) থেকে রসায়নে মাস্টার্স এবং পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন ড. নয়ন মালেক। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ, সমুদ্রের জল থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদন, কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে জ্বালানীতে রূপান্তর, ইত্যাদির উপর গবেষণারত একজন গবেষক হলেও সাহিত্যের প্রতি তার বিশেষ আকর্ষণ ছোটবেলা থেকেই। তিনি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই সাহিত্য রচনা করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দ এই তরুণ লেখককে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ জানিয়েছেন। সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত অনুবাদক মবিনুল হক বিশেষ ভাবে বলেন, “তরুণ এই লেখক ড. নয়ন মালেক শুধু রসায়নে নয়, সাহিত্যের রসেও সমান ভাবে পারদর্শী, তার লেখনীতে এক মসৃণ ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি’। এবাদুল হক ও অনুষ্ঠানের সভাপতি এম নাজিম মূল্যবান বক্তব্য রাখেন এবং তাঁদের হার্দিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কবি ও গল্পকার আব্দুর রহমান বলেছেন, “বিজ্ঞানের পাশাপাশি সাহিত্যেও পারদর্শী এমন খুব কম জন আছেন, এই তরুণকে অনেক শুভেচ্ছা জানাই’।
ড. নয়ন মালেক বলেন, “আমি ‘রিউ একটা অন্ধবিশ্বাস’ নামে কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হবে, সেই প্রসঙ্গে এই গল্পগ্রন্থের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলতে চাই যে আমার ‘রিউ’ অন্ধবিশ্বাস কিন্তু মিথ্যে নয়। আমার রিউ পড়তে ভালোবাসে, আমার রিউ করোনার মহাসঙ্কটে লকডাউনের ঘেরাটোপে নিজেকে আঁটকে না রেখে নার্সের কঠিন দায়িত্ব পালন করে। আমার রিউ অন্ধকারের দিনে আমাকে জোনাকির মতো করে আলো দেয়, পথ দেখায়, আবার আমি রেগে গেলে জোর করে চুমুও খায়! আমার রিউ নিস্তব্ধ দিনে আমাকে বুকে জড়িয়ে রাখে, আগলে রাখে আমার আশা, কাঁধে হাত রেখে বলে, ‘পাশি আছি, এবার ব্যর্থ হয়েছ তো কি হয়েছে, আবার চেষ্টা কর, দেখো তুমি পারবে’। আমার রিউ ফুল, আমার রিউ আশা, আমার রিউ বিবেকও। অন্ধকারের গহীন সমুদ্রে খাবি খেতে খেতে খাটো হয়ে আসা নিঃশ্বাসের যন্ত্রণাতে অক্সিজেন হয়ে আমাকে বাঁচিয়ে তোলে যে আশা তার নামই ‘রিউ’। আমার গল্পগ্রন্থ ‘নিঃশ্বাসের অন্ধকারে রিউ’-এ আমার রিউয়ের সমস্ত অবতারকে একসাথে কালো হরফের শব্দ-মিছিল দিয়ে ছবি এঁকেছি।”
উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, “নয়ন মালেক-এর সৎ সাহিত্যসেবা একদিন সাহিত্য আকাশ জুড়ে এক মূল্যবান তারা হয়ে জ্বলজ্বল করবে। অনেক পড়তে হবে তারপর লিখতে হবে। পড়ার বিকল্প নেই। বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ অব্যাহত রাখতে নয়ন মালেকের আরও এগিয়ে আসতে হবে।”

WhatsApp chat
error: