দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরে উপপ্রধানের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগে সরব হলেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা

জয়দীপ মৈত্র,প্রতিফলক :দক্ষিন দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর ব্লকের ৬নম্বর বাগিচাপুর পঞ্চায়েতের প্রধানের পর এবার উপ-প্রধানের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুললেন স্বনির্ভর দলের মহিলারা । এই কাট মানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আজ বাগিচাপুর পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিস প্রাঙ্গণ মহিলাদের ভীড়ে ছিল চোখে পড়ার মতো । কিছুদিন ধরেই বাগিচাপুর পঞ্চায়েতের এম জি এন আর এস প্রকল্পের বিভিন্ন কাজকে ঘিরে একটা দলতান্ত্রিক পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেশকিছু অংশে।

এরমধ্যে উখলি সংসদের প্রায় শতাধিক মহিলা ও পুরুষ বাগিচাপুর পঞ্চায়েত অফিসে প্রধান ও উপপ্রধানের কাছে ডেপুটেশন দিতে আসেন। ডেপুটেশন দিতে আসা মহিলা ও পুরুষ কারো মুখে ছিল না মাস্ক। সামাজিক দূরত্ব বিধির কথা ভুলে গিয়ে উপপ্রধান মানো সরকার ও প্রধান গুলজার আলমের বিরুদ্ধে এম জি এন আর এস প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে সরব হন অভিযোগকারীরা। অভিযোগ করতে আসা মহিলারা পঞ্চায়েত অফিসে প্রধান ও উপপ্রধানকে না পেয়ে তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পঞ্চায়েত সদস্য দের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন । এ সময় পঞ্চায়েত অফিসে উপস্থিত তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্য স্বাধীন কুমার দাস জানান উখলি সংসদের মানুষের অভিযোগ জানতে পেরেছি শৌচালয় নির্মাণ, এনরেগা প্রকল্পের কাজে কাটমানি নিয়েছেন বলে অভিযোগ উপপ্রধানের প্রতি । স্বাধীন কুমার দাস বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। তবে দল এইসব কাজকে কখনোই মান্যতা দেয়না’।

ক্ষুব্ধ উখলি সংসদের মানুষ এরপর বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দিতে যান। অভিযোগকারী পঞ্চমী সরকার বলেন, শৌচালয় তৈরি করবার নাম করে উপপ্রধান টাকা নিয়েছে কিন্তু এখনও শৌচালয় তৈরি হয়নি। তারা আরো দাবি করেন, মাটিকাটার কাজ করেছি বহুদিন হলো এখনো টাকা পাইনি ।এ প্রসঙ্গে হরিরামপুরের ভারপ্রাপ্ত বিডিও তাপস ঘোষ জানান, বিষয়টি আজই জেলা প্রশাসনের নজরে আনবেন। পঞ্চায়েত প্রধান গুলজার আলম ও উপপ্রধান মানো সরকারের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

WhatsApp chat
error: