দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও কৃষক ক্ষেতমজুর সংগঠনগুলির আহবানে সর্বভারতীয় ধর্মঘট সংঘটিত হলো মালদদায়

নজরুল ইসলাম ও মহ: মুস্তফা শেখঃ ধর্মঘট কে সমর্থন জানিয়ে ষোলটি বামপন্থী ও সহযোগী দল সমূহ এবং জাতীয় কংগ্রেস আজকে যে ধর্মঘট ডেকে ছিল অন্য জেলার পাশাপাশি মালদা জেলাতে ও শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও ধর্মঘটের প্রভাব দেখা গেল। বেশিরভাগ যানবাহন ও দোকানপাট এলাকার বন্ধ ছিল।

ধর্মঘট কে সফল করার জন্য সিপিএম এবং কংগ্রেস যৌথভাবে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পথসভা করে। এবং কেন্দ্র সরকারের নীতির বিরুদ্ধে এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। মালদা জেলার এক কংগ্রেস নেতা মো: মোসরাফুল হক বলেন যে কেন্দ্র সরকারের দেশবিরোধী জনবিরোধী বৃহৎ পুঁজিবাদ রক্ষাকারী নীতির বিরুদ্ধে আমরা এই ধর্মঘট সফল করার জন্য রাস্তায় নেমেছি। গ্রামের সাধারণ মানুষ এই ধর্মঘট কে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সফল করেছে। সিপিএম এর এক নেতা শফিকুল ইসলাম বলেন যে কেন্দ্রের যে নীতি সেই নীতির বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করছি। এবং রাজ্য সরকার পরোক্ষভাবে এই ধর্মঘট কে সমর্থন করছে।যদি তারা এই নীতিকে সমর্থন না করতো তাহলে তাদের পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস আজকে খোলা রাখতনা।

অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান যে আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি ধর্মঘটের বিরুদ্ধে। এ ধর্মঘটের ফলে মানুষের জনজীবন ব্যাহত হয় এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির তো রয়েছে। তারা যে আমাদেরপ্রতি যে অভিযোগ করছে সেটি সঠিক নয়। গ্রামের সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য আজকে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস খোলা হয়েছে। আমরা বিজেপি সরকারের দেশবিরোধী নীতির পক্ষে নয় আমরা ধর্মঘটের বিপক্ষে। এই ধর্মঘটে যাহাতে গ্রামীণ এলাকায় বিশৃঙ্খলা না হয় সেই জন্য ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা দেখা যায় মোড়ে মোড়ে। যদিও এলাকার সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক নেতাদের এই কাদা ছোড়াছুড়ি ভালো চোখে দেখছেন না।

WhatsApp chat
error: